Finance

সর্বজনীন পেনশন কি এবং কিভাবে পাবেন

বাংলাদেশে চালু হলো সর্বজনীন পেনশন প্রকল্প। দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির কারণে একটা নির্দিষ্ট সময় পর তাদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যুগান্তকারী এই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। মোট চারটি স্কিম এর আওতায় দেশের সকল স্তরের মানুষকে এই পেনশনের আওতায় আনা হবে। 

দেশের ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনগোষ্ঠীর টেকসই সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা দিতে ইতোমধ্যেই সর্বজনীন পেনশন নীতিমালা, বিধিবিধান ও আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট ২০২৩ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। 

সর্বজনীন পেনশন কি?

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিচালিত সর্বজনীন পেনশন হল দেশের সকল মানুষের আর্থিক নিরাপত্তায় মাসিক পেনশন সুবিধা যা তাদের নির্ধারিত সময়ে জমাকৃত অর্থের বিনিময় Sarbojonin Pension প্রদান করা হবে। 

নির্ধারিত বয়সের পর পেনশন পেতে চায় এরকম ব্যক্তিদের গৃহীত মাসিক চাঁদার ভিত্তিতে মেয়াদ পূর্ণ হলে পূর্বে ঠিক করা পরিমাণ মোতাবেক মাসিক পেনশন বা অবসর ভাতা দেয়া হবে। (দেখুন নাগরিক সনদ বা চেয়ারম্যান সনদ অনলাইন আবেদন ও ডাউনলোড সঠিক পদ্ধতি)

সর্বজনীন পেনশন কারা পাবে?

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের সকল স্তরের মানুষকেই সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনা হবে। ১৮ বছর থেকে ৫০ বছর বয়সেই বাংলাদেশী স্থায়ী নাগরিকগণ চারটি পেনশন স্কিমের মধ্যে যেকোনো একটি গ্রহণ করে (যেটি তার জন্য প্রযোজ্য) Sorbo Jonin Pension যোগ দিতে পারবে। 

বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর অন্য যেকোন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা ও সর্বজনীন পেনশন স্কিম সুবিধা গ্রহণ করে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত  করার সুযোগ রয়েছে। 

তবে বিশেষ বিবেচনায় ৫০ বছরের বেশি বাংলাদেশি নাগরিকরা সর্বজনীন পেনশনের আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে সর্বজনীন পেনশনে অন্তর্ভুক্তির দিন থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ১০ বছর চাঁদা দিয়ে যেতে হবে। ১০ বছর মেয়াদ পূর্তির পর আজীবন তাকে পেনশন দেয়া হবে।

সর্বজনীন পেনশন স্কিম সমূহ (Sorbo Jonin Pension)

প্রাথমিকভাবে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ দেশের সকল মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চারটি স্কিম ঘোষণা করেছেন। বয়স, পেশা, উপার্জনের অবস্থা এবং বসবাসের উপর নির্ভর করে যেকোনো একটি প্রকল্প থেকে নিজের সুবিধামতো পেনশন স্কিম গ্রহণ করা যাবে।

সার্বজনীন পেনশন  চারটি স্কিম হলো- ১. প্রবাস, ২. প্রগতি, ৩. সুরক্ষা, ও ৪. সমতা; আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে সার্বজনীন পেনশন এর সবগুলো স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত দেয়া হলো।

প্রবাস (সর্বজনীন পেনশন স্কিম)

বাংলাদেশের বাইরে অর্থাৎ প্রবাসে (পৃথিবীর যেকোনো দেশে) কর্মরত বাংলাদেশী নাগরিকরা এই স্কিমের আওতায় সর্বজনীন পেনশনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আবেদন করতে পারবে। 

প্রবাসীরা জাতীয় পেনশন স্কিমের চাঁদা অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড,  ডেবিট কার্ড বা অন্য কোন পেমেন্ট গেটের মাধ্যমে চাঁদা পরিশোধ করতে পারবে। কোন কারণেই দেশে চলে আসলে বাংলাদেশী টাকায় চাঁদা পরিশোধ করার সুযোগ রয়েছে। 

প্রবাস স্কিমের আওতার রেজিস্ট্রেশনকৃত প্রবাসী নাগরিকরা দেশে একেবারে চলে আসার পর চাইলে তারা তাদের স্কিম পরিবর্তন করতে পারবে অথবা পূর্ব নির্ধারিত চাঁদা পরিশোধ করার পর মেয়াদ পূর্তিতে দেশীয় টাকায় পেনশন সুবিধা পাবে। 

প্রবাস সর্বজনীন পেনশন স্কিমে মাসিক ৫০০০ টাকা, ৭৫০০ টাকা, অথবা ১০০০০ টাকা হারে ১০ থেকে ৪২ বছর পর্যন্ত চাঁদা প্রধান করা যাবে। 

প্রবাসীরা মাসের ১০ হাজার টাকা চাঁদা প্রদান করে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রতি মাসে ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬৫৫ টাকা পেনশন পাবেন। 

প্রবাসীদের জন্য সর্বজনিন স্কিম এর চাঁদা, মেয়াদ এবং পেনশন এর পরিমাণ

মাসিক চাঁদার হার৫,০০০ টাকা৭,৫০০ টাকা১০,০০০ টাকা
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক সম্ভাব্য  পেনশন পরিমাণমাসিক সম্ভাব্য  পেনশন পরিমাণমাসিক সম্ভাব্য  পেনশন পরিমাণ
৪২১,৭২,৩২৭২,৫৮,৪৯১৩,৪৪,৬৫৫
৪০১,৪৬,০০১২,১৯,০০১২,৯২,০০২
৩৫৯৫,৯৩৫১,৪৩,৯০২১,৯১,৮৭০
৩০৬২,৩৩০৯৩,৪৯৫১,২৪,৬৬০
২৫৩৯,৭৭৪৫৯,৬৬১৭৯,৫৪৮
২০২৪,৬৩৪৩৬,৯৫১৪৯,২৬৮
১৫১৪,৪৭২২১,৭০৮২৮,৯৪৪
১০৭,৬৫১১১,৪৭৭১৫,৩০২
তথ্যসূত্র: জাতীয় পেনশন স্কীম এর অফিসিয়াল সাইট

বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকরা মাসে ৫০০০ টাকা চাঁদা প্রদান করে ১০ বছর মেয়াদে ৭৬৫১ টাকা,  ১৫ বছর মেয়াদে ১৪ হাজার ৪৭২ টাকা,  ২০ বছর মেয়াদে ২৪ হাজার ৬৩৪ টাকা,  ২৫ বছর মেয়াদে ৩৯ হাজার ৭৭৪ টাকা,  ৩০ বছর মেয়াদে ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা, ৩৫ বছর মেয়েদের ৯৫ হাজার ৯৩৫ টাকা,  ৪০ বছরের মেয়েদের ১ লক্ষ ৪৬ হাজার এক টাকা,  ৪২ বছরের মেয়েদের ১ লক্ষ ৭২ হাজার ৩২৭ টাকা মাসিক পেনশন পেতে পারেন। 

মাসিক ৭৫০০ টাকা চাঁদা প্রদান করলে ১০ বছরে  ১১,৪৭৭ টাকা,  ১৫ বছরে ২১,৭৬০ টাকা,  ২০ বছরে ৩৬,৯৫১ টাকা,  ২৫ বছরে ৫৯,৬৬১ টাকা,  ৩০ বছরের ৯৩,৪৯৫ টাকা,  ৩৫ বছরে ১,৪৩,৯০২ টাকা, ৪০ বছরে ২,১৯,০০১ টাকা,  ৪২ বছরে ২,৫৮,৪৯১ টাকা হারে মাসিক পেনশন দেয়া হবে। 

১০,০০০ টাকা মাসিক চাঁদা পরিশোধ করলে ৪২ বছর শেষে মাসে তিন লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৫৫ টাকা,  ৪০ বছরে ২ লক্ষ ৯২ হাজার ২ টাকা,  ৩৫ বছরে ১ লক্ষ ৯১ হাজার ৮৭০ টাকা,  ৩০ বছরে ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৬০ টাকা,  ২৫ বছরে ৮০ হাজার ৫৪০ টাকা,  ২০ বছরে ৪৯ হাজার ২৬৮ টাকা,  ১৫ বছরে ২৮৯৪৪ টাকা,  ১০ বছর শেষে ১৫ হাজার ৩০২ টাকা করে পেনশন পাবে।

প্রগতি (বেসরকারি কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম)

যে সকল ব্যক্তি বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন তাদের জন্য জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সার্বজনীন পেনশন এ প্রগতি নামে একটি প্রকল্প রেখেছেন। এখানে বেসরকারি কর্মচারীরা এবং প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করতে পারবে। 

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাসিক সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা হারে চাদা প্রদান করে প্রগতি স্কিমের আওতায় নিবন্ধন করতে পারবে। তাদের জন্যেও মোট আট মেয়াদের পেনশন সুবিধা রয়েছে। 

প্রগতি স্কিমের আওতায় কেউ মাসিক সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা চাঁদা প্রদান করে সর্বোচ্চ ৬৮,৯৩১ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৩০৬০ টাকা পেনশন পাওয়ার সুবিধা  নেওয়া যাবে। 

নিচের ছবিতে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত ধারণা দেওয়া আছে দয়া করে চেক করে নিন

প্রগতি (বেসরকারি কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম)
ছবি: সর্ব জনিন পেনশন এর প্রগতি স্কিম এর চাঁদা এবং পেনশন এর পরিমাণ টেবিল

৩০০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে ১০ বছর মেয়াদে ৪৫৯১ টাকা এবং ৪২ বছর মেয়াদে ১,০৩,৩৯৬ টাকা পেনশন দেয়া হবে। (আলাদা মেয়াদে ভিন্ন পেনশন পরিমাণ নির্ধারণ করা আছে)

কেউ মাসে ৫০০০ টাকা করে মাসিক চাঁদা প্রদান করলে প্রগতির স্কিমের আওতায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ মেয়াদ শেষ হলে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ২২৭ টাকা পর্যন্ত পেনশন দিবেন। 

সুরক্ষা পেনশন স্কিম (অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মচারী বা নিজস্ব কর্মে নিয়োজিত)

কোন সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন না এমন ব্যক্তি যারা নিজস্ব কাজ করেন বা স্বনির্ভর তাদের জন্য চারটি প্যাকেজের সুরক্ষা  নামে একটি পেনশন স্কিম রাখা হয়েছে। মাসিক ১০০০ টাকা, ২০০০ টাকা, ৩০০০ টাকা  এবং ৫০০০ টাকার প্যাকেজ এর মধ্যে যেকোনো একটি বাছাই করে আটটি মেয়াদের যেকোনো একটিতে ডিপোজিট করা যাবে। 

নিচের ছবিতে স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য পেনশন স্কীমের মেয়াদ, চাঁদার পরিমাণ, সম্ভব্য পেনশনের পরিমাণ দেখে নিন

অন্যান্য পেনশন প্যাকেজ এর মতই সুরক্ষায় সর্বনিম্ন ১০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৪২ বছরের মেয়াদ নির্ধারণ করা আছে এবং এর বিপরীতে পেনশনের পরিমাণও উল্লেখ করা আছে। 

অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী বা নিজের কাজে নিয়োজিত বাংলাদেশী নাগরিকগণ তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো একটি প্যাকেজ গ্রহণ করে পেনশন সুবিধার আওতায় আসতে পারবে।

সুরক্ষা পেনশনের স্কিমের প্রথম প্যাকেজ মাসিক এক হাজার টাকা  জমা করলে  ১০ বছর মেয়াদ শেষে  পেনশন পাবে  ১৫৩০ টাকা,  ১৫ বছর মেয়াদে পাবে  ২৮৯৪ টাকা, ২০ বছর পর্যন্ত জমা করলে পাবে ৪৯২৭ টাকা, ২৫ বছর পর্যন্ত ৭৯৫৫ টাকা, ৩০ বছর পূর্তিতে ১২৪৬৬ টাকা,  ৩৫ বছরে ১৯১৮৭ টাকা,  ৪০ বছরে ২৯২০০ টাকা এবং ৪২ বছর পর্যন্ত চাঁদা প্রদান করতে পারলে সেটি গিয়ে দাঁড়াবে ৩৪ হাজার ৪৬৫ টাকা। 

নিজস্ব কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য দ্বিতীয় প্যাকেজ দুই হাজার টাকা যার সর্বনিম্ন মেয়াদ ১০ বছর শেষে পাওয়া যাবে ৩০৬০ টাকা এবং ৪২ বছর শেষে পাওয়া যাবে ৬৮৯৩১ টাকা। 

একইভাবে মাসিক ৩০০০ টাকা চাঁদা প্রদান করলে ১০ বছরে পাওয়া যাবে ৪৫৯১ টাকা এবং ৪২ বছর শেষে পাওয়া যাবে ১০৩৩৯৬ টাকা। আর ৫০০০ টাকা করে মাসিক চাঁদা দিতে পারলে সর্বোচ্চ  এক লক্ষ বাহাত্তর হাজার তিনশত সাতাশ টাকা পর্যন্ত পেনশন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। 

সমতা সর্বজনিন পেনশন প্যাকেজ (স্বল্প আয়ের নাগরিক)

বাংলাদেশে যে সকল নাগরিক দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে এবং অল্পস্বল্প আয় করে তাদের জন্য সরকার জাতীয় পেনশন নীতিমালায় একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন।  তাদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাসে ৫০০ টাকা হারে চাদা প্রদান করে সরকার থেকে আরও ৫০০ টাকা যোগ করে সর্বমোট এক হাজার টাকা চাঁদা জমা করা হবে এবং অন্যান্য প্যাকেজ এর মত আট মেয়াদের আলাদা আলাদা পেনশনের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। 

যাদের বর্তমান আয়েরসীমা বছরে ষাট হাজার টাকার কম তারা শুধুমাত্র এই প্যাকেজটি গ্রহণ করতে পারবে। ৬০ হাজার টাকার কম বাৎসরিক আয়ের নাগরিকদের নিম্ন এর নাগরিক বলা হয়ে থাকে। 

সমতা প্যাকেজে নিম্ন আয় বা স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা মাসে ১০০০ টাকা (৫০০ টাকা ব্যক্তি এবং ৫০০ টাকা সরকার থেকে দেয়া হবে) জমা করে দশ বছর মেয়াদে ১৫৩০ টাকা,  ১৫ বছর মেয়াদে ২৮৯৪ টাকা, ২০ বছর মেয়াদে ৪৯২৭ টাকা, ২৫ বছর মেয়াদে ৭৯৫৫ টাকা, ৩০ বছরে ১২৪৬৬ টাকা, ৩৫ বছরে ১৯১৮৭ টাকা, ৪০ বছর মেয়েদের ২৯ হাজার ২০০ টাকা,  এবং ৪২ বছর শেষে ৩৪ হাজার ৪৬৫ টাকা পর্যন্ত পেনশন পাবে। 

মাসিক চাঁদার হার১,০০০ টাকা (চাঁদাদাতা ৫০০ টাকা + সরকারি অংশ ৫০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)সম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২৩৪,৪৬৫
৪০২৯,২০০
৩৫১৯,১৮৭
৩০১২,৪৬৬
২৫৭,৯৫৫
২০৪,৯২৭
১৫২,৮৯৪
১০১,৫৩০
সূত্র: জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সমতা প্যাকেজ

উপরে বর্ণিত আপনার জন্য প্রযোজ্য জাতীয় পেনশন স্কিম গ্রহণ করে নির্ধারিত মেয়াদের পর আপনার সামাজিক এবং আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এখনই আবেদন করুন। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ করতে নির্ধারিত সর্বজনীন পেনশনের স্কিম গ্রহণ করতে আবেদনের নিয়মাবলী আপনাদের জন্য এখানে বিস্তারিত দেয়া হবে।

সর্বজনিন পেনশন সম্পর্কে আরও জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন

সৌজন্যে: জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ ইউটিউব চ্যানেল

প্রিয় পাঠক, আশা করছি আপনি সর্বজনিন পেনশন সম্পূর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনার জন্য প্রযোজ্য সর্বজনিন পেনশন স্কিম রেজিষ্ট্রেশন, পেমেন্ট ও ইউজার আইডি তৈরি করার কৌশল জেনে আজই যোগ দিন।

বাংলা ডকস্ ফাইন্যান্স এডিটর

সবার জন্য সরকারের পেনশন সুবিধা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য জানতে অথবা রেজিস্ট্রেশন বা অন্য যেকোন টেকনিক্যাল/কারিগরি সহায়তার জন্য +৮৮ ০১৫৫০ ০৭৯৯২৯, +৮৮ ০১৫৫০ ০৭৯৯৪৫ নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করুন।

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসার জন্য +৮৮ ০১৭১৩ ১২৯৩৮৫, +৮৮ ০১৭১২ ৯৮৫০৬৪, +৮৮ ০১৭১১ ১২৬৪৩২, +৮৮ ০১৭১৬ ৭২৪৬৮১, +৮৮ ০১৮১৭ ০৮৯২১৫;

অথবা নিকটস্ত জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। খুব শিগ্রই দেশের বিভিন্নপ্রান্তে শাখা অফিস খোলা হবে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় ঠিকানা

ভবন নং – ১১, বাংলাদেশ সচিবালয়, আব্দুল গনি রোড, ঢাকা- ১০০০, টেলিফোন: +৮৮ ০২ ২২৩৩৫৫১৩৩, ইমেইল: [email protected]

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button